শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
কম বয়স মানেই নিশ্চিন্ত নয়—স্ট্রোক হতে পারে হঠাৎই, জীবনটাই বদলে যেতে পারে!
অনলাইন ডেস্ক
কম বয়স মানেই নিশ্চিন্ত নয়—স্ট্রোক হতে পারে হঠাৎই, জীবনটাই বদলে যেতে পারে! এখন ৫৫-এর নিচের বয়সীরাও স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন নিয়মিত। একে একে বাড়ছে হার। আগে যেটা শুধু বয়সের ঘাড়ে দোষ দেওয়া হতো, এখন সেটা অনেক তরুণের জীবনেই হানা দিচ্ছে। কিন্তু কেন?
ধূমপান, অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, ওজন, মাদক সেবন, ব্যায়ামের অভাব—সব মিলিয়ে তরুণরাও এখন স্ট্রোকের মূল টার্গেটে পরিণত হচ্ছে। তবে আশার কথা, মাত্র কিছু পরিবর্তনেই আপনি এই প্রাণঘাতী ঝুঁকি থেকে দূরে থাকতে পারেন।
১. ধূমপানকে বলুন ‘না’:
ধূমপান রক্তনালির গায়ে ক্ষত সৃষ্টি করে, রক্ত ঘন করে তোলে এবং অক্সিজেনের মাত্রা কমায়। ফল? মস্তিষ্কে রক্ত জমাট—মানে স্ট্রোক।
২. রক্তচাপ রাখুন আয়ত্তে:
উচ্চ রক্তচাপ মানেই ভেঙে পড়তে পারে রক্তনালি। নিয়মিত পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণই একমাত্র উপায়।
৩. কোলেস্টেরলের লাগাম টানুন:
চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে, ব্যায়াম করে রাখুন কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে। উচ্চ কোলেস্টেরল মানেই ৩ গুণ বেশি ঝুঁকি।
৪. চিনির ফাঁদ থেকে মুক্তি:
ডায়াবেটিস রক্তনালিতে ধ্বংস ডেকে আনে। ফলাফল—স্ট্রোক। তাই আঁশযুক্ত খাবার, পানি আর ব্যায়ামকে বানান সঙ্গী।
৫. ওজন কমান, জীবন বাঁচান:
ওজন বাড়লেই বাড়ে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিসের মতো ভয়ংকর সব রোগের ঝুঁকি। ওজন কমালে ঝুঁকি কমে প্রায় ৬৪% পর্যন্ত।
৬. ঘুমই জীবন:
প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম দিন। কম বা বেশি—দুটোই স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ায়।
৭. নড়াচড়া করুন, বাঁচুন:
দিনে একটু হাঁটা, সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট ব্যায়াম আর দুইদিন মাংসপেশির জন্য কাজ রাখুন রুটিনে।
শেষ কথা:
বয়স, জিন, লিঙ্গ বা পারিবারিক ইতিহাস বদলানো যায় না ঠিকই, কিন্তু উপরের সাতটি অভ্যাসে বদল আনলে আপনি নিজেই নিজের জীবন বদলে দিতে পারবেন। স্ট্রোক যেন কখনও এসে না বলে, “তোমাকেই খুঁজছিলাম।”